ভোরের জানালা

জনগণের কল্যাণে অগ্রদূত

কেরাণীগঞ্জে মসজিদ কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ!

1 min read

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঢাকার কেরাণীগঞ্জ উপজেলাধীন শাক্তা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের আল মিনারা জামে মসজিদের কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।

কোন প্রকার নোটিশ ছাড়া ও সাবেক কমিটি বিলুপ্ত না করেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আল মিনারা জামে মসজিদের সাবেক কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক সদস্যগণ।

অভিযোগকারীরা বলেন, গত ২০২৩ সালের ৬ই জুন আমাদের কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৩ মাস যাবত আমরা দায়িত্ব পালন করে আসছি। মসজিদের ছাঁদ ঢালাই থেকে শুরু করে যাবতীয় দায়িত্ব পালনে আমরা সচেষ্ট ভূমিকা পালন করেছি। আমাদের উক্ত কমিটিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ, ইউপি চেয়ারম্যান এবং ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছিল। কিন্তু গত শুক্রবার (৫ই জুলাই) আমাদের কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে জুমুআ’র নামাজ শেষে নতুন কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়, যা সংবিধান ও গঠনতন্ত্র বহির্ভূত। আমাদের এই কমিটির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বহাল রাখার দাবি জানাচ্ছি।

এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ মুঠোফোনে জানান, এক কমিটিতো সারা জীবন থাকবে না। তাদের নিজেদের গড়া কমিটিতেতো আর নোটিশের প্রয়োজন নেই। দীর্ঘদিন উক্ত কমিটি অনিয়ম করছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। উক্ত এলাকাবাসী আমার নিকট একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেছেন বিধায় আমি ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি দেখতে বলেছি। এক্ষেত্রে যদি কোন প্রকার অসৎ ব্যক্তি কমিটির দায়িত্বে আসে তবে সে বিষয়টিতে অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্বে বসানোর জন্য আমি বলেছি। এব্যাপারে সাংবাদিকদের মাথা না ঘামানোর পরামর্শ দেন তিনি এবং যেহেতু এখানে কোন প্রকার আর্থিক অনিয়ম নেই তাই সংবাদ প্রকাশের কিছু নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভাইস চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন লিটন মুঠোফোনে বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার মজিবর আগে একটি জোরপূর্বক কমিটি করে দিয়েছিল। এলাকার মানুষ এব্যাপারে ক্ষিপ্ত। উক্ত এলাকাবাসীরা একত্রিত হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ এবং আবেদন দাখিল করলে মসজিদ কমিটি পুনরায় গঠিত করার নির্দেশ দেন তিনি। তাদের সম্মুখে বলেছি, যদি এব্যাপারে কোন প্রকার বিয়োজন-সংশোধন প্রয়োজন হয় তা অবশ্যই আমরা করবো। সামাজিকভাবে যেহেতু আগের কমিটির গ্রহণযোগ্যতা নেই তাই নতুন কমিটির প্রয়োজন মনে করেছে এলাকাবাসী।

কেরাণীগঞ্জের ইউএনও মোঃ আবু রিয়াদের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আল মিনারা জামে মসজিদের নব্য কমিটির কাগজটা আমি শুধু সিন করে দিয়েছি, অনুমোদন দেই নি। আমার নাম এব্যাপারে উল্লেখ করলে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।

তবে উল্লেখিত বিষয়ে শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করে কোন প্রকার যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

Please follow and like us:
স্বত্ব © ২০২৪ ভোরের জানালা | Newsphere by AF themes.
Translate »