1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. nu356548@gmail.com : Nasiruddin Liton : Nasiruddin Liton
  8. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  9. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  10. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  11. journalistsojibakbor01713@gmail.com : Sojib Akbor : Sojib Akbor
  12. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
করোনা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার মানুষ » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত নাটোরের কলেজছাত্রকে বিয়ে করা সেই সহকারী অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার ‘বঙ্গমাতা অদম্য উদ্যোক্তা’ অনুদান পেলেন সিলেট বিভাগের ১০ নারী জামালপুর জেলা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন চবির নতুন নেতৃত্বে শাহরিয়ার-শিশির লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এল.এস.পি) কুমিল্লা জেলা শাখার সম্মেলন সন্দেহজনক ভাবে আটককৃত হৃদয়(বান্টি) নিরপরাধ | রাজনৈতিক কোন দলের সংশ্লিষ্টতা নেই গ্রিন ডেভেলপমেন্ট ও জ্বালানি সাশ্রয়ী আইসিটি অবকাঠামো তৈরিতে হুয়াওয়ের নতুন সল্যুশন সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক – সাংসদ এনামুল হক যুদ্ধে নামছে দেশবাংলা কক্সবাজারে ’দৈনিক দেশবাংলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

আজ

  • আজ বুধবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২২ ইং
  • ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)
  • ১৮ই মুহররম, ১৪৪৪ হিজরী
  • এখন সময়, রাত ১০:০১

করোনা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার মানুষ

  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০

পুঠিয়া থেকেঃ- সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা জেলাকে চিহ্নিত করার পর থেকেই গোপনে গ্রামের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন সেখানে বসবাস করা শ্রমজীবিরা। কোনোভাবেই তাদের আটকানো যাচ্ছে না। দ্বিতীয় দফা গার্মেন্টস শ্রমিকদের আসার পর ফের নতুন করে তৃতীয় দফায় আসার ফলে উৎকন্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে এই জনপদের মানুষের। আর সেই কারনে পুঠিয়া উপজেলায় এখন আতঙ্ক ও সংক্রমনের ঝুঁকি বাড়িয়েছে এসব মানুষ। এতে সংক্রামিতের ভয় ও আতঙ্ক-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন স্থানীয় সহ বসবাস কারীরা। সম্প্রতি গতকাল পুঠিয়া উপজেলার জিউপাড়া গ্রামে একজনের রিপোর্ট পজেটিভ আসায় আরো উৎকন্ঠায় আছে উপজেলার মানুষ। এদিকে, এই নতুন করে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ও আশেপাশের জেলা থেকে আসা ব্যক্তিদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে সবাই। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির পরেও ঠেকানো যাচ্ছে না প্রবেশ। মোড়ে মোড়ে পুলিশি চেকপোস্ট থাকলেও জানাযায় ট্রাক অটোভ্যানে চড়ে প্রবেশ করেছেন তারা। তাদের কতজন এলাকায় ফিরেছেন এর সঠিক তথ্যও জানা নেই। তবে প্রতিটি গ্রামে মহল্লায় ১ জন ২ জন ৩ জনের মতো এসেছে তারা। তবে এলাকায় ফেরত ব্যক্তিদের তথ্যের ভিত্তিতে খোঁজ খবর নিয়ে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি এপ্রিল মাসের শুরুর দিক থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গোপনে ফিরতে শুরু করেছে ঢাকা নারায়ণগঞ্জে বসবাস করা শ্রমজীবীরা।

লকডাউন নয় তবে সন্দেহভাজনদের বাসায় থাকতে বলা হয়েছে এবং গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে বলেও জানান প্রশাসন। তার পরেও উপেক্ষা করে অনেকেই প্রাইভেটকার ভাড়া নিয়ে কিংবা ট্রাকে চড়ে রাতের আধাঁরে ফিরছেন গ্রামের বাড়িতে। গ্রামে ফিরেই হোম কোয়ারেন্টিন না মেনেই অবাদে ঘোরাফেরা করছেন তারা। পাড়ার দোকান ও হাট-বাজার গুলোতে চলাফেরা করছেন। এমনকি সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখছে না কেউ। এমন পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রামক বিস্তারে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে এ উপজেলার মানুষ। বিশেষ করে গাঢাকা দেওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশি। অনেকেই এলাকায় ফিরে প্রশাসনের ভয়ে আত্মীয়ের বাড়ি অবস্থান করছে। ঢাকা ফেরতদের তেমন ঝুঁকি না থাকলেও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা কিছু ব্যক্তিদের মাধ্যমে সংক্রামনের ভয়ে আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় রয়েছেন স্থানীয়রা। তবে গতকালের আক্রান্ত রোগী ঢাকা থেকে স্থানীয় একটি ট্রাকে এসেছিল বলে জানাযায়।

আবার তারা ঐ সকল জেলা থেকে আসা ব্যাক্তিরা আবার ঘুুুরছে দাপটের সহিত। থানা সুত্রে জানাযায়, আমরা ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ও আসেপাশের জেলা থেকে আসা ব্যক্তিদের ঘরে অবস্থান করতে বলছি। এ পর্যন্ত যারা এসেছে তাদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলেছি এবং রাখা হয়েছে। তবে, কেউ যদি কোয়ারেন্টিনে না থেকে বাহিরে বের হয় তাহলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। গতকালের করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ি সহ আসেপাশের প্রায় ৪০ থেকে ৪৩টি বাড়ি দোকান সহ লকডাউন করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার অনেক সচেতন মানুষ এই প্রবেশ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন প্রথম দফা দ্বিতীয় দফা আমরা কষ্টের সাথে মোকাবিলা করেছি। বাহির থেকে কেও আসবেনা ভেতর থেকে কেও যাবেনা এমন ঘোষণার পরেও কিভাবে এত মানুষ আসলো সেটাই ভাবার বিষয়। শুনেছি রাস্তার মোড়ে মোড়ে শুধু চেকপোস্ট তার পরেও ট্রাকে চড়ে মানুষ আসে কিভাবে যেখানে মালামাল ছাড়া লোকজন বহন নিষিদ্ধ”সেই সাথে এ সব অসচেতন ট্রাকচালকদেরও আইনের আওতায় আনার কথা বলেন তারা।

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন

tv 21

  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।