1. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  2. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  3. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  4. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  5. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  6. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  7. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  8. sovursha@gmail.com : Sha Sovur : Sha Sovur
  9. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডির (সায়েম সোবহান আনভীর) বিরুদ্ধে মামলা » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
দেবিদ্বারে ছাত্রলীগের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ‘ভুল অস্ত্রোপচারে’ প্রসূতির মৃত্যুর একমাস পর কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন ফতেহাবাদ এর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহনাজ মোস্তফার পরিচালনায় ফতেহাবাদের এক হাজার পরিবারকে মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ। চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে রাস্তার স্পিড ব্রেকার এর উপর চিন্হ করে সচেতন করে দিলো কিছু তরুণ ফেইজবুক টিম দেবীদ্বার’র উদ্যোগে অসহায় হত দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ দেবীদ্বার এলাহাবাদে নুরুল আমিন এর উদ্যোগে ১২০০ হতদরিদ্র কে ঈদ সামগ্রী বিতরন দেবীদ্বারে শ্রমজীবীদের মাঝে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদের ইফতার বিতরণ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার নিযুক্ত হলেন দেবিদ্বারে কৃতি সন্তান অধ্যাপক মোস্তফা আজাদ কামাল রসুলপুর সমাজ কল্যাণ যুব সংগঠনের উদ্যোগে ২শ৭০ জন অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ দেবিদ্বারে চৌধুরী ফাউন্ডেশন’র আয়োজনে ২ হাজার দুঃস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র ও অর্থ বিতরণ

আজ

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ ইং
  • ২৯শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল)
  • ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরী
  • এখন সময়, রাত ২:৩৫

আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডির (সায়েম সোবহান আনভীর) বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১

গুলশানের ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর(মোসারাত জাহান মুনিয়া)লাশ উদ্ধার:
আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডির (সায়েম সোবহান আনভীর) বিরুদ্ধে মামলা।মামলার বাদী ওই মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

মুনিয়ার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার উজির দিঘির পাড়। মুনিয়া (২১) মিরপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। দুই বছর আগে মামলার আসামি সায়েম সোবহান আনভীরের (৪২) সঙ্গে মুনিয়ার পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকে তাঁরা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন এবং সব সময় মোবাইলে কথা বলতেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।২০১৯ সালে মুনিয়াকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আনভীর রাজধানীর বনানীতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সেখানে তাঁরা বসবাস করতে শুরু করেন। ২০২০ সালে আনভীরের পরিবার এক নারীর মাধ্যমে এই প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারে। এরপর আনভীরের মা মুনিয়াকে ডেকে ভয়ভীতি দেখান এবং মুনিয়াকে ঢাকা থেকে চলে যেতে বলেন। আসামী কৌশলে মুনিয়াকে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেন এবং পরে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন।

সবশেষ গত ১ মার্চ আনভীর মুনিয়াকে প্ররোচিত করেন।ফুসলিয়ে তিনি মুনিয়াকে ঢাকায় আনেন।মুনিয়া গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কে বাসা (ফ্ল্যাট-বি-৩) ভাড়া নেন। বাসা ভাড়া নিতে বোন নুসরাত ও তাঁর স্বামীর পরিচয়পত্র ব্যবহার করেন।১ মার্চ থেকেই আনভীর মাঝে মাঝে ফ্ল্যাটে আসা-যাওয়া করতেন।

২৩ এপ্রিল মুনিয়া নুসরাতকে(বোন) ফোন করেন। মুনিয়া তাঁকে বলেছেন, আনভীর তাঁকে বকা দিয়ে বলেছেন, কেন তিনি (মুনিয়া) ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় গিয়ে ইফতার করেছেন, ছবি তুলেছেন। ফ্ল্যাটের মালিকের স্ত্রী ফেসবুকে ছবি পোস্ট করেছেন। এ ছবি ‌পিয়াসা দেখেছেন। পিয়াসা মালিকের স্ত্রীর ফেসবুক বন্ধু। এখন পিয়াসা তাঁর(আনভীরের) মাকে সবকিছু জানিয়ে দেবেন। তিনি (আনভীর) দুবাই যাচ্ছেন, মুনিয়া যেন কুমিল্লায় চলে যান।আনভীরের মা জানতে পারলে তাঁকে (মুনিয়াকে) মেরে ফেলবেন।দুদিন পর ২৫ এপ্রিল মুনিয়া নুসরাতকে আবার ফোন করেন। ওই সময় তিনি কান্নাকাটি করে বলেন, আনভীর তাঁকে বিয়ে করবেন না, শুধু ভোগ করেছেন। আনভীরকে উদ্ধৃত করে মুনিয়া বলেন, আনভীর তাঁকে বলেছেন, তিনি (মুনিয়া) তাঁর শত্রুর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুনিয়াকে তিনি ছাড়বেন না। মুনিয়া চিৎকার করে বলেন, আনভীর তাঁকে ধোঁকা দিয়েছেন। যেকোনো সময় তাঁর বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাঁরা ( নুসরাতের পরিবার) যেন দ্রুত ঢাকায় আসেন।

নুসরাত তাঁর আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে দুপুর ২টার দিকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় রওনা দেন। আসার পথে বারবার মোসারাতের ফোনে ফোন করেন, কিন্তু তিনি আর ফোন ধরেননি। গুলশানের বাসায় পৌঁছে দরজায় নক করলে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে নিচে নেমে আসেন। তাঁরা নিরাপত্তারক্ষীর কক্ষ থেকে বাসার ইন্টারকমে ফোন করেন। পরে ফ্ল্যাট মালিকের নম্বরে ফোন দিলে মিস্ত্রি এনে তালা ভেঙে ঘরে ঢোকার পরামর্শ দেন। মিস্ত্রি ডেকে তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর তিনি দেখেন, তাঁর বোন ওড়না পেঁচিয়ে শোয়ার ঘরের সিলিংয়ে ঝুলে আছেন।পুলিশ এসে ওড়না কেটে মোসারাতের মৃতদেহ নামায়। আলামত হিসেবে আনভীরের সঙ্গে ছবি, আনভীরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে লেখা ডায়েরি ও তার ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন নিয়ে যায় পুলিশ।

ঘটনার ভিতরেও অনেক ঘটনা থেকে যায়।সুতরাং,যাই কিছু ঘটুক তার একটা সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষীরা শাস্তি পাক।অন্তত বিচার ব্যবস্থার যে ভঙ্গুর চিত্র তা যেন আরো একবার প্রকাশিত না হয়।

তথ্যসূত্রঃপ্রথম আলো

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: দুঃখিত, আপনি আমাদের নিউজ চুরি করতে পারবেন না। ধন্যবাদ।