1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. nu356548@gmail.com : Nasiruddin Liton : Nasiruddin Liton
  8. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  9. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  10. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  11. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
১৬৫ বছর পর তৈরী হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মসলিন কাপড়ের সুতা » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
বাঘায় ছাত্রলীগ নেতার মদদে আবাদি জমিতে পুকুর খননের উৎসব দেবীদ্বার’র বড় আলমপুরে মাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ দেবীদ্বারে জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২’ বাস্তবায়নে উপজেলা ‘জরিপ কমিটি’র সভা অনুষ্ঠিত দেবীদ্বারে বাংলালিংক টাওয়ার থেকে পড়ে টেকনেশিয়ান’র মৃত্যু মাদক কারবারিদের আতংকের আরেক নাম কুমিল্লা ডিএনসি ও টাস্কফোর্স! কুমিল্লা জেলায় আবারও শ্রেষ্ঠ এসআই পুরস্কার পেলেন নাজমুল হাসান কুমিল্লার মুরাদনগরে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ইমাম পেলো ১০ লক্ষ টাকার পুরস্কার অস্থিরতা কমাতে গুলি করার আদেশ জারি শ্রীলঙ্কায় ২০২৫ সালের মধ্যে মঙ্গোলিয়ার প্রথম তেল শোধনাগার শেষ করার আশা

আজ

  • আজ শনিবার, ২১শে মে, ২০২২ ইং
  • ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল)
  • ১৯শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
  • এখন সময়, দুপুর ২:৪৯

১৬৫ বছর পর তৈরী হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মসলিন কাপড়ের সুতা

  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হারিয়ে যাওয়া বাংলার ঐতিহ্যবাহী মসলিন পূনরুদ্ধারে কুমিল্লার দেবিদ্বার ও চান্দিনায় চরকায় সুতা কাটা শুরু হয়েছে। এখানকার ২টি কারখানায় তৈরিকৃত সুতায় এ পর্যন্ত ৫টি মসলিন শাড়ী, ৭টি মসলিন ওড়না ও ৬টি নমুনা কাপড় তৈরি করতে সক্ষম হয়।

কুমিল্লার ওই দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা সোনাপুর ও রামপুরে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া মসলিন সুতা দিনে দিনে সূক্ষ থেকে সূক্ষতর হচ্ছে। ৮ মেট্রিকাউন্ট থেকে বর্তমানে ৫৫৬ মেট্রিকাউন্ট সূতা তৈরি করছেন এখানকার তাঁতীরা। যা প্রকল্পের সাফল্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ‘বাংলাদেশের সোনালী ঐতিহ্য মসলিন তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ এর আওতায় দেবিদ্বার উপজেলার রামপুর, চান্দিনা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের অন্তত ৪৯টি চরকায় সুতা তৈরির কাজ করছেন নারীরা। যার মধ্যে চান্দিনার সোনাপুর কারখানায় ৩৭টি চরকা।

কেউবা মাসিক বেতনে আবার কেউবা দৈনিক বেতনে ‘মসলিন’ এর সুক্ষ সুতা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফুটি কার্পাস তুলা নামের বিশেষ এক ধরণের তুলা দিয়ে তৈরিকৃত ওই সুতায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ তারাবো এলাকায় হ্যান্ড লুমে বুনন করা হয় মসলিন শাড়ি। যা বাংলার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করেছে অন্তত ১৬৫ বছর পর।

বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা যায়- ‘মসলিন’ শব্দটি এসেছে ইরাক থেকে। বিশেষ ওই শাড়ি ইরাকের ‘মসুল’ নামক একটি স্থানে বিক্রি ও অতিসূক্ষ কাপড় তৈরি করার ফলে তৎকালিন ইংরেজরা মসুল ও সূক্ষ এই দুইয়ের সমন্বয়ে কাপড়টির নাম দিয়েছিল ‘মসলিন’। তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে মসলিন বলতে তৎকালীন ঢাকা ও তার পাশ্ববর্তী এলাকায় তৈরিকৃত সূক্ষ কাপড়কে বুঝায়। মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তার স্ত্রী নূরজাহানকে মসলিন কাপড় দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

কাঁচের মত স্বচ্ছ ওই মসলিন কাপড় একটি আংটির ভিতর দিয়ে অনায়াসে আনা-নেওয়া করা যেতো এবং একটি দিয়াশলাই বক্সে রাখা যেতো বলেও জনশ্রুতি রয়েছে।

১৮৫৬ সালের ইংল্যান্ডে মসলিন প্রদর্শণীর পর বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয় ঐতিহ্যবাহী ও রাজসিক মসলিন শাড়ি। আর পুনরুদ্ধার হয় ২০১৮ সালের শেষ দিকে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান মাঠ, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে গাজীপুরের শ্রীপুর খামার, নরসিংদীর পলাশ এলাকার তাঁত বোর্ডের মাঠে বিশেষ ফুটি কার্পাস তুলা চাষাবাদ হচ্ছে। সেই তুলায় দেবিদ্বারের রামপুর ও চান্দিনার সোনাপুর এলাকার ২টি কারখানায় তৈরি হচ্ছে চরকায় কাটা সূক্ষ ওই সূতা।

প্রকল্প পরিচালক ও তাঁত বোর্ডের প্রধান (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) মো. আইউব আলী জানান- ১৮৫৬ সালের পর বাংলাদেশে আর মসলিন তৈরি হয়নি। পাকিস্তান শাসনামল থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ৪০ বছরেও কেউ উদ্যোগ নেয়নি। ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাট ও বস্ত্রমন্ত্রণালয় পরিদর্শণে এসে ‘মসলিন’ পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দেন। তারপর থেকে শুরু হয় গবেষণা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গবেষণা করে ‘ফুটি কার্পাস’ তুলা চাষ করে সাফল্য এনে দেন। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ‘বাংলাদেশ সোনালী ঐতিহ্য মসলিন তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প’ শুরু করেন।

তিনি জানান- ওই প্রকল্পের অধীনে ৪০জনের মধ্যে ৬জনকে বাঁছাই করে চান্দিনার সোনাপুরে প্রশিক্ষণ দিয়ে শুরু করা হয় চরকায় সুতা তৈরির কাজ। হাতের চরকায় প্রথম দিকে ৮-১০ মেট্রিকাউন্ট সুতা তৈরি করলেও বর্তমানে ৫৫৬ মেট্রিকাউন্ট মিহি সুতা তৈরি করছে এখানকার তাঁতীরা। দেবিদ্বার ও চান্দিনায় চরকায় তৈরি সুতায় প্রথম দিকে ৬টি নমুনা কাপড় তৈরি করা হলেও পরবর্তীতে ৫টি শাড়ি তৈরি হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা মূলক প্রথম শাড়িটি ২০১৮ সালের ১লা নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়া হয়।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান- ফুটি কার্পাস তুলনায় প্রতিটি শাড়ি তৈরিতে খরচ হচ্ছে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। বাংলার ঐতিহ্য মসলিন পুনরুদ্ধার করতে আমাদের প্রকল্প নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার (২৪মে) চরকায় সুতা কাটার কাজ পরিদর্শণে আসেন জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সহিদুল্লাহ, যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য গাজী মো. রেজাউল করিম, উপ-সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বিভীষণ কান্তি দাশ, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. মঞ্জুরুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় ওই প্রকল্পের অধীনে মসলিন সুতা কাটার চরকা আরও বৃদ্ধি করাসহ এ এলাকায় শাড়ি তৈরির হ্যান্ডলুম স্থাপন করার আহবান জানান স্থানীয়রা।

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন

Channel Dhaka

  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।