1. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  2. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  3. anarul.roby@gmail.com : নিউজ ডেস্ক :
  4. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  5. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  6. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  7. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
খাগড়াছড়িতে ক্রেতাশূণ্য কোরবানির পশুর হাট! দুশ্চিন্তায় বিক্রেতারা - ভোরের জানালা
সর্বশেষ
যশোরের কেশবপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত শাহিন সাগরের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ সুপার বরাবর রাজশাহী বিএমএসএফ’র স্মারকলিপি বাগমারায় সাত বছরের শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে এলাকাবাসির মানববন্ধন রাজশাহীতে নিরাপত্তা ও আসামীদের আটকের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জন্মব্যাধি কাদা রাস্তা কাঁদাচ্ছে মিলিক গোওরা গ্রামবাসিকে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে সঞ্জয় দত্ত বৈরুতে গুলি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দখল নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা মিরপুরের ডিসিসহ ৬ কর্মকর্তার বদলি নাঙ্গলকোটের হাসানপুর স্টেশনে মেঘনা এক্সপ্রেসের ট্রেন স্টপেজ দাবি জানিয়েছে হাসানপুর আলোকিত সমাজ নগরবাসীর সঙ্গে বেইমানি দুই নাম্বারী করবেন তাদের আমি কোনো ভাবেই ছাড় দেব না – সুজন

আজ

  • আজ মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২০ ইং
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
  • ২০শে জ্বিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
  • এখন সময়, রাত ১২:৫৭

খাগড়াছড়িতে ক্রেতাশূণ্য কোরবানির পশুর হাট! দুশ্চিন্তায় বিক্রেতারা

  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
  • ৬০ দেখেছেন

মোঃ রবিউল হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:- চলমান ‘করোনা’ প্রাদুর্ভাবে থমকে দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধমীয় কর্মকান্ড। দীর্ঘ সময় আয়-রোজগার বঞ্চিত মানুষজনের মাঝে ঈদ-আনন্দের আমেজ নেই। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোতে কোরবানের প্রস্তুতি অনেক কম। ফলে আসন্ন কোরবানকে ঘিরে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলার ছোট-বড় অর্ধশত গো-খামার ও কৃষকের ঘরে মোটাতাজা কয়েক হাজার দেশী-বিদেশী জাতের গরু নিয়ে দুশ্চিতায় গো-খামারীরা। লাইভ ওয়েট পদ্ধতিতে বিক্রিতেও তেমন সাড়া নেই গো-খামারে! ফলে এসব খামারীরা পুঁজি হারানো ভয়ে শংকিত।জেলার মানিকছড়ি উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও গো-খামার মালিক সূত্রে জানা গেছে, মানিকছড়ি উপজেলায় ছোট-বড় গো-খামার রয়েছে ৩৯টি। এতে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কোরবানে বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে সহস্রাধিক দেশী-বিদেশী গরু মোটাতাজা করা হয়। এছাড়া উপজেলার গ্রামে-গঞ্জের হাজারো কৃষক নিজ গৃহে কয়েক হাজার দেশী বলদ,ষাড় মোটাতাজা করে থাকে। ইতোমধ্যে হাট-বাজারে কৃষকের ছোট-মাঝারী গরু উঠালেও ক্রেতাশুন্য বাজার! ফলে খামারে মোটাতাজা করা গরু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত গো-খামারীরা।

পাহাড়ের প্রাকৃতিক সবুজ ঘাসে লালিত-পালিত দেশী-বিদেশী গরু কোরবানে চাহিদা থাকায় এ গো-খাতে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন সাধারণ কৃষক ও গো-খামারীরা। গো-খামারে এবং গ্রামের পালিত গরুর নিয়মিত খাবারের তালিকায় প্রাকৃতিক সবুজ ঘাস, ভূষি, খৈল এবং খেড়। এসব খাবার সু-স্বাদু হওয়ার কারণে অল্প সময়ে গরু মোটাতাজায় পরিপুষ্ট হয়। ফলে এসব গরু কোরবানে বেশ চড়া দামে বিক্রি করে লাভবান হয় ব্যবসায়ীরা। বিগত সময়ে কোরবানকে ঘিরে এখানকার হাট-বাজার, গ্রামে-গঞ্জে পাইকারদের আনা-গোনায় মূখরিত হয়ে উঠে কোরবানের বেচা-কেনা। আর এ বছর ‘করোনা’ আতংকে এখনো পর্যন্ত জনপদের কোথাও কোরবানের গরুর খোঁজে কেউই আসেনি। হাট-বাজারগুলোতে দেশী গরু বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা হলেও ক্রেতাশূন্য বাজার দেখে দুঃচিন্তায় পড়েছে গো-খামারীরা।জেলার বিভিন্ন উপজেলার ছোট বড় পশুরহাট গুলো ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রচুর দেশী ছোট ও মাঝারী গরু উঠলেও ক্রেতা না থাকায় বিক্রেতাদের মূখে হাসি নেই। গরু ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন বলেন, প্রতি বছর কোরবানির বাজারে দেশী গরুর চাহিদা প্রচুর।

কোরবানের এক দেড় মাস আগ থেকেই শহরের ব্যবসায়ীরা গরুর খোঁজে বাড়ি বাড়ি আসতে শুরু করেন। যার ফলে এখানকার ঘরে ঘরে কম-বেশি দেশী বলদ, ষাড় দেশী পদ্ধতিতে লালন-পালন করা হয়। অনেক আবার এ খাতে ২০/৫০ লক্ষ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গরু বর্গা দিয়ে রাখেন। একসত্যাপাড়া মো.আবুল কালাম বলেন, আমরা নিজ বাড়ীতে দেশীয় পদ্ধতিতে যৎসামান্য পুঁজি বিনিয়োগ করে ৫/৭টি দেশীয় বলদ, ষাড় লালন-পালন করেছি। এ বছর ‘করোনা’র ছোবলে দূর্বিসহ জনজীবনে কোরবানের আনন্দে ভাটার আশংকা দেখা দিয়েছে। ফলে বাজারে ক্রেতা নেই বললেই চলে! গিরিকলি এগ্রো ফার্মের মালিক মো.লুৎফর রহমান বলেন, শখের বসে এ বছর থেকে গরু ফার্ম শুরু করেছি। কিন্তু ব্যবসার শুরুতেই মোটাতাজা গরু নিয়ে বিপাকে পড়লাম। ক্রেতাশুন্য মার্কেটে ব্যবসার ভবিষৎ নিয়ে শংকিত।বাজার ইজারাদার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বাবুল বলেন, বাজারের প্রচুর দেশী গরু উঠেছে।

কিন্তু পাইকার নেই,স্থানীয় ক্রেতারা সাধারণত গরু কিনে শেষ সময়ে। তাই গত ২/৩টি বাজার গেছে ক্রেতাশুন্য অবস্থায়! এছাড়া উপজেলার গো-খামারগুলোতে প্রায় সহস্রাধিক গরু বাজারজাতের অপেক্ষায় রয়েছে। ‘করোনা’য় ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবারে এবার কোরবানের প্রস্তুতি না থাকায় চরম মূল্য দিতে হতে পারে খামারীদের! ফলে দুশ্চিতায় পড়েছে খামারী ও কৃষকরা।মানিকছড়ি উপজেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা ডা. সুচয়ন চৌধুরী বলেন, উপজেলার ৩৯টি তালিকাভুক্ত ছোট-বড় খামারসহ অসংখ্য কৃষক কোরবানকে ঘিরে সু-স্বাদু খাবার ও আধুনিক পদ্ধতিতে গরুগুলোতে মোটাতাজা করছে। এখন কোরবানের বাজার ও খামারে গরু বেচা-কেনা এবং পরিচর্যায় আমরা নজরদারী বাড়িয়েছি। যাতে কেউ কোনভাবে প্রতারিত না হয়।

সবার সাথে শেয়ার করুন

৪ responses to “খাগড়াছড়িতে ক্রেতাশূণ্য কোরবানির পশুর হাট! দুশ্চিন্তায় বিক্রেতারা”

  1. Like!! Great article post.Really thank you! Really Cool.

  2. I learn something new and challenging on blogs I stumbleupon everyday.

  3. I am regular visitor, how are you everybody? This article posted at this web site is in fact pleasant.

  4. SMS says:

    I love looking through a post that can make people think. Also, many thanks for permitting me to comment!

Leave a Reply

Your email address will not be published.

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: দুঃখিত, আপনি আমাদের নিউজ চুরি করতে পারবেন না। ধন্যবাদ।