1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. nu356548@gmail.com : Nasiruddin Liton : Nasiruddin Liton
  8. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  9. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  10. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  11. journalistsojibakbor01713@gmail.com : Sojib Akbor : Sojib Akbor
  12. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
কক্সবাজারে হুন্ডি মিজানের অত্যাচারে ঘরছাড়া মা দিল আরা’র সংবাদ সম্মেলন » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত নাটোরের কলেজছাত্রকে বিয়ে করা সেই সহকারী অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার ‘বঙ্গমাতা অদম্য উদ্যোক্তা’ অনুদান পেলেন সিলেট বিভাগের ১০ নারী জামালপুর জেলা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন চবির নতুন নেতৃত্বে শাহরিয়ার-শিশির লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এল.এস.পি) কুমিল্লা জেলা শাখার সম্মেলন সন্দেহজনক ভাবে আটককৃত হৃদয়(বান্টি) নিরপরাধ | রাজনৈতিক কোন দলের সংশ্লিষ্টতা নেই গ্রিন ডেভেলপমেন্ট ও জ্বালানি সাশ্রয়ী আইসিটি অবকাঠামো তৈরিতে হুয়াওয়ের নতুন সল্যুশন সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক – সাংসদ এনামুল হক যুদ্ধে নামছে দেশবাংলা কক্সবাজারে ’দৈনিক দেশবাংলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

আজ

  • আজ শুক্রবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২২ ইং
  • ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)
  • ২০শে মুহররম, ১৪৪৪ হিজরী
  • এখন সময়, দুপুর ২:০৮

কক্সবাজারে হুন্ডি মিজানের অত্যাচারে ঘরছাড়া মা দিল আরা’র সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার সদরের ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী গ্রামের বাসিন্দা ও ৬ সন্তানের জননী দিল আরা। বয়স ষাটোর্ধ্ব। স্বামী মতিউর রহমান মারা গেছেন ৭ বছর আছে। দিল আরার স্বামী মতিউর মারা যাওয়ার পূর্বে তার বিষয় সম্পত্তির সবকিছু ভাগ করে দিয়ে যান স্ত্রী, কন্যা সন্তানদের। এরপর অনেক কষ্টে নিজের মত করে নতুনভাবে সংসার সাজিয়েছেন দিলারা। ভালই কাটছিল স্বামী মারা যাওয়ার পরবর্তী ৬ মাস ।

বছরের মাথায় প্রতিবেশী ও কন্যাদের নিকট থেকে ধারদেনা করে বড় ছেলে মিজানকে বিয়েও দেন। এরপর থেকে দুঃখ যেন পিছু ছাড়ছেনা দিলারার। নেমে আসে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন। প্রতিবেশীদের সহায়তা ও সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকেও বেঁচে যান বহুবার। নিজের জীবন বাঁচাতে এবং ছেলেরুপী নরপশু মিজানের ভয়ে দিলারা আজ দেড় বছর ধরে ঘরছাড়া।

গতকাল ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবে এসে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এভাবেই বর্ণনা দিলেন পাষন্ড ছেলে মিজানের গা শিউরে উঠা করুণ কাহিনী। মা দিলারা তার লিখিত বক্তব্যে জানান, ছেলে মিজান ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী এসকে ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুল এন্ড মেমোরিয়াল কলেজের প্রধান শিক্ষক। শিক্ষকতার আড়ালে সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার সাথে জড়িত।

প্রতিদিন লেনদেন করে থাকে লক্ষ লক্ষ টাকা। দিলারার স্বামী ও মিজানের বাবার রেখে যাওয়া সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সে একাই ভোগ করছে। গত ৬ বছর ধরে মায়ের ভরণ পোষন তো দূরের কথা, উল্টো শারিরীক ও মানসিক নির্যাতনে জর্জরিত হয়েছে দিলারা অসংখ্যবার। কথায় কথায় অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজতো আছেই। চিৎ করে শুইয়ে ধারালো দা দিয়ে মাকে হত্যা করতে চেয়েছে শিক্ষক নামধারী মিজান ৪ বার।

প্রতিবেশীদের সহায়তা ও ছেলের নিকট জীবন ভিক্ষা চেয়ে কোনমতে বেঁচে আছেন দিলারা আজতক। প্রতিকার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন এলাকার সমাজপতি থেকে জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশনের বিভিন্নজনের নিকট। মিজান তাদের সামনে মায়ের ভরণ-পোষণ ঠিকমত চালানোর অঙ্গীকার করলেও ঘরে গিয়ে আবার পুরোনো কায়দায় একই আচরন শুরু করে।

স্বামীর বসতবাড়ী ছেড়ে তাই দিল আরা বেগমের এখন ঠাঁই হয়েছে তৃতীয় কন্যা রোকসানার ঘরে। তার ঘরে আজ দেড় বছর ধরে আছেন নির্যাতিতা দিল আরা। সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের নিকট দিল আরার একটাই আবেদন সে যেন তার নিজের হাতে সাজানো বাগানে ফিরে গিয়ে স্বামীর ভিটেমাটিতে শেষ নিংশ্বাস ত্যাগ করতে পারেন।

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন

tv 21

  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।