1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. nu356548@gmail.com : Nasiruddin Liton : Nasiruddin Liton
  8. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  9. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  10. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  11. journalistsojibakbor01713@gmail.com : Sojib Akbor : Sojib Akbor
  12. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
পাইলস্ বা অর্শরোগ, আমাদের কি করণীয় ? » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
‘বঙ্গমাতা অদম্য উদ্যোক্তা’ অনুদান পেলেন সিলেট বিভাগের ১০ নারী জামালপুর জেলা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন চবির নতুন নেতৃত্বে শাহরিয়ার-শিশির লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এল.এস.পি) কুমিল্লা জেলা শাখার সম্মেলন সন্দেহজনক ভাবে আটককৃত হৃদয়(বান্টি) নিরপরাধ | রাজনৈতিক কোন দলের সংশ্লিষ্টতা নেই গ্রিন ডেভেলপমেন্ট ও জ্বালানি সাশ্রয়ী আইসিটি অবকাঠামো তৈরিতে হুয়াওয়ের নতুন সল্যুশন সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক – সাংসদ এনামুল হক যুদ্ধে নামছে দেশবাংলা কক্সবাজারে ’দৈনিক দেশবাংলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত বাগমারার ঝিকরা তে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত রিয়াদের হারা জমজম ইশারায় তাসবি মিট কোম্পানি’র দ্বিতীয় শাখার শুভ উদ্ভোদন

আজ

  • আজ শনিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২২ ইং
  • ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
  • ১৪ই মুহররম, ১৪৪৪ হিজরী
  • এখন সময়, বিকাল ৪:১৮

পাইলস্ বা অর্শরোগ, আমাদের কি করণীয় ?

  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯

পায়খানার রাস্তার চারপাশের শিরা ফুলে যাওয়া বা মাংস বৃদ্ধি পেলে আমরা তাকে পাইলস্ বা অর্শরোগ বলে থাকি। আমাদের পায়ুপথের টিস্যুগুলো যখন ফুলে যায় বিশেষ করে টয়লেট করার সময় প্রবল চাপ প্রয়োগ করলে এই পাইলস্ দেখা দেয় যেটা ব্যথাযুক্ত হতে পারে এমনকি মাঝেমধ্যে রক্তপাতও হতে পারে যদি পাইলস্ কোন কারণে ফেটে যায়। প্রক্টোসকপির মাধ্যমে খুব সহজেই এ রোগ নির্ণয় করা যায়।

কারণ সমূহঃ

১। পেটের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি পেলে যেমন, গর্ভবতী থাকাকালীন সময় অথবা বাচ্চা প্রসবের সময়।
২। পায়খানা করার সময় প্রবল চাপ দিলে বিশেষ করে যারা কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে ভোগেন।
৩। যারা ভারী জিনিষ উঠা নামা করান প্রতিনিয়ত।
৪। বয়সবৃদ্ধির সাথে সাথে পায়খানার রাস্তার মাংসপেশি দূর্বল হয়ে যায় তাই বয়স্ক মানুষের মাঝে পাইলস্‌ বেশী দেখা যায়।
৫। যেসব পরিবারের পূর্ববর্তী সদস্যদের মধ্যে পাইলসে্‌র প্রকোপ বেশী সেসব পরিবারে পাইলস্‌ বেশী হতে দেখা যায় যাকে আমরা ফেমিলি হিস্ট্রি বলি।
৬। লম্বা সময় ধরে বসে থাকলে বা ভ্রমন করলে, হাঁচি কাশি থাকলে কিংবা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত থাকা রোগীরা পাইলসে্‌ আক্রান্ত হতে পারে ইত্যাদি।

লক্ষণসমূহঃ

১। পায়খানার সময় ফোঁটায় ফোঁটায় তাজা রক্ত পড়া।
২। পায়ুপথে চাকার মত অনুভব হওয়া।
৩। মাঝে মাঝে পায়খানার রাস্তা দিয়ে শ্লেষা নির্গত হওয়া কিংবা আপনা আপনি পায়খানা গড়িয়ে পড়া।
৪। পায়ুপথের আশে পাশে চুলকানি বা ঘা হওয়া।
৫। পুরোপুরি পায়খানা না হওয়ার অনুভূতি এবং পায়খানা হবার পর পায়খানার রাস্তায় ব্যথা অনুভব হওয়া।

এসব লক্ষণসমূহ দেখা দেবার সাথে সাথে দেরী না করে নিকটস্থ জেনারেল সার্জন বা কলোরেক্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হওন। কারণ এ লক্ষণসমূহ ইনফ্লামেটরী বাওয়েল ডিজিস, বাওয়েল ও এনাল ক্যান্সার, এনাল ফিশার রোগেও থাকতে পারে যেগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

ক্ষতিসমূহঃ

১। ঘা হওয়া পায়খানার রাস্তায়।
২। স্কিন ট্যাগঃ পাইলসে্‌ চামড়ার নিচে ফুলে যাওয়া শিরা বা টিস্যু যখন চুপসে যায় তখন সে যায়গার চামড়া আলগাভাবে ঝুলে থাকে যাকে আমরা স্কিন ট্যাগ বলে থাকি।
৩। নির্গত শ্লেষা থেকে আশেপাশের স্থানে ঘা বা ইনফেকশন হতে পারে।
৪। পাইলসে্‌র ভিতর রক্ত জমাট বেঁধে তীব্র ব্যথা হতে পারে যাকে আমরা থ্রম্বস্‌ড পাইলস্‌ বলে থাকি।
৫। পাইলসে্‌র ফোলা জায়গাটি পেঁচিয়ে গিয়ে সেখানকার রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে। এতে করে সে জায়গাটির টিস্যু মরে যায় এবং
প্রচন্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়।

প্রতিরোধের উপায়ঃ

কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় সে ব্যবস্থা করা উচিত এবং বেশী শক্তি প্রয়োগে মলত্যাগ করা উচিত নয়। বারে বারে মলত্যাগের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে এবং ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎ্‌সা করতে হবে।

কি খাবেন?

১। যারা আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের এ রোগ কম হয়। আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে শাক-সবজি, কাঁচা ফলমূল, আলুর ছোলা, ইসুপগুলের ভূষি ইত্যাদি। এতে থাকা আঁশ মলে পানি ধরে রেখে মলকে নরম করে। ফলে কোষ্টকাঠিন্য এর সম্ভাবনা থাকেনা।
২। ডাল জাতীয় খাবার খান। এক কাপ ডালে ১৫-১৬ গ্রাম আঁশ থাকে। দিনে অন্তত দুই কাপ ডাল খান।
৩। খোসাহীন শস্যের চাইতে খোসা যুক্ত শস্য খান। সাদা চাল বা আটা এর বদলে লাল চাল বা আটা খান। খোসা, প্রচুর পরিমানে আশ ও ভিটামিন সরবরাহ করে।
৪। নিয়মিত দই খান। এতে থাকা উপকারী ব্যক্টেরিয়া কোষ্টকাঠিন্য রোধে সহায়তা করে।
৫। পরিমিত পরিমিত পরিমাণে পানি পান (দৈনিক ৮ গ্লাস) করতে হবে।

কিছু চিকিৎসাঃ

১। পায়খানা নরম রাখার জন্য ইসবগুলের ভুষি একগ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেতে পারেন।
২। বাজারে কিছু সিরাপ পাওয়া যায় (যেমন সিরাপ এভলাক, ডি লাক ইত্যাদি) সেগুলো রাতে সোবার আগে ৩/৪ চামচ অথবা ২ চামচ করে ৩ বেলা খেতে পারেন।
৩। পায়খানার রাস্তায় ব্যথা হলে প্যারাসিটামল খেতে পারেন।
৪। ব্যথা না কমলে প্যারাসিটামলের পাশাপাশি পায়খানার রাস্তার চারপাশে জেসকেইন জেলী (লোকাল এনেস্থেটিক) লাগাতে পারেন।
৫। প্রতিদিন দু’বার করে কুসুম গরম পানিতে লবণ দিয়ে তার উপর বসুন ১৫ মিনিট।

কি খাবেন না?

1. পাস্তা, ক্র্যাকার, ভাত, বিস্কিট, রুটি ইত্যাদিতে আঁশ অনেক কম। ধরুন আপনি এক বেলার খাবারে নিয়মিত পাস্তা খান বা এক প্যাকেট বিস্কিট খান বা অল্প পরিমান সব্জী দিয়ে বা সব্জী ছাড়া প্রচুর পরিমাণে রুটি বা ভাত খান- এই ধরণের খাদ্যাভাসে অভ্যস্ত থাকলে কিন্তু আপনার শরীরে আঁশ গ্রহণ কম হচ্ছে। ফলে দেখা দিতে পারে কোষ্টকাঠিন্য। মোটকথা কোষ্টকাঠিন্য নিরোধে কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে আঁশ এর অনুপাত ঠিক থাকতে হবে।

2. ফ্যাটি ও উচ্চ সুগার যুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণের অভ্যাস ও কোষ্টকাঠিন্য ঘটাতে পারে। যেমন, গরুর মাংস, চীজ, মাখন, ফ্রাইড খাবার, চকোলেট, আইস্ক্রীম, কোমল পানীয় ইত্যাদি।

ব্যায়ামঃ

যাদের কোষ্টকাঠিন্য আছে তারা ব্যায়ামের মাধ্যমে কোষ্টকাঠিন্য কমাতে পারেন। ফলে পাইলস হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। মাটিতে সোজা শুয়ে পরুন, পা মাটিতে মেশানো থাকবে, পায়ের পাতা ছাদমুখী থাকবে। এবার পেটের পেষী ভিতরে দিকে টেনে ধরে আস্তে আস্তে শ্বাস নিন ও ডান পা টা আস্তে আস্তে দূরে নিন। যতদূর পারেন করুন, এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পা আগের জায়গায় আনুন। এরপর বাম পা ব্যবহার করে একি ব্যায়াম করুন।

মলদ্বার এর যত্নঃ

মলদ্বার ও প্বার্শবর্তী অঞ্চল যথাসম্ভব পরিষ্কার রাখুন। সুতী ও ঢিলেঢালা অন্তর্বাস পরিধান করুন। অন্তর্বাসের ভিতরে নরম কোন প্যাড ব্যবহার আপনাকে স্বস্তি দেবে। মাঝে মাঝেই সিজ বাথ (Sitz Bath) নিন, এটির নিয়ম হচ্ছে আধ গামলা লবণ মিশ্রিত গরম পানিতে নিতম্ব ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে।

সার্জিক্যাল চিকিৎসাঃ
এ রোগের জন্য অপারেশন করতে হতে পারে এ কথা শুনলেই রোগীদের আত্মা শুকিয়ে যায়। এমনকি বায়ু বের করতেও কষ্ট হয়। ওষুধে না সারলে অপারেশনই এই ঘা শুকাবার একমাত্র পথ, এবং তারপরই সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাঃ

মলদ্বারের রোগ সমূহ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে বিশেষ করে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য প্রধান কারন।
এনাল ফিসার, পাইলস, ফিস্টুলা সহ মলদ্বারের সকল রোগই এ্যালোপ্যাথিক র্সাজারি ছাড়া হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় সর্ম্পূন র্নিমূল করা সম্ভব হয়। সার্জারি চিকিৎসায় এক.দুই বছর পর পুনরায় এ রোগ দেখা দেয় কিন্তু হোমিও চিকিৎসায় সম্পূর্ন নির্মূল হয়ে যায় তবে চিকিৎসা নিতে হয় দীর্ঘ দিন যাবত।

সর্বোপরী লক্ষণসমূহ দেখা দিলে লজ্জা না পেয়ে, সমস্যা লুকিয়ে না রেখে, ভন্ড কবিরাজের কাছে গিয়ে অর্থ ও সময় নষ্ট না করে খুব শীঘ্রই জেনারেল সার্জন কিংবা কলোরেক্টাল সার্জনের শরনাপন্ন হবার অনুরোধ রইল।

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন

tv 21

  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।