1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. nu356548@gmail.com : Nasiruddin Liton : Nasiruddin Liton
  8. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  9. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  10. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  11. journalistsojibakbor01713@gmail.com : Sojib Akbor : Sojib Akbor
  12. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
★ আয়নায় লুকানো প্রেম তোমার! ★ » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত নাটোরের কলেজছাত্রকে বিয়ে করা সেই সহকারী অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার ‘বঙ্গমাতা অদম্য উদ্যোক্তা’ অনুদান পেলেন সিলেট বিভাগের ১০ নারী জামালপুর জেলা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন চবির নতুন নেতৃত্বে শাহরিয়ার-শিশির লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এল.এস.পি) কুমিল্লা জেলা শাখার সম্মেলন সন্দেহজনক ভাবে আটককৃত হৃদয়(বান্টি) নিরপরাধ | রাজনৈতিক কোন দলের সংশ্লিষ্টতা নেই গ্রিন ডেভেলপমেন্ট ও জ্বালানি সাশ্রয়ী আইসিটি অবকাঠামো তৈরিতে হুয়াওয়ের নতুন সল্যুশন সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক – সাংসদ এনামুল হক যুদ্ধে নামছে দেশবাংলা কক্সবাজারে ’দৈনিক দেশবাংলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

আজ

  • আজ শুক্রবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২২ ইং
  • ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)
  • ২০শে মুহররম, ১৪৪৪ হিজরী
  • এখন সময়, দুপুর ১:২৮

★ আয়নায় লুকানো প্রেম তোমার! ★

  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯

মেহেদী হাসান রিয়াদঃ

ঘুমঘুম চোখ নিয়ে হাইওয়ের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎ পেছন থেকে কেউ একটা বলে ওঠে
-‘আরে এতো রাতে যাচ্ছেন কোথায়?’

ঘুমের ঘুরে বাজে শুনছি ভেবে সামনেই এগুচ্ছিলাম। ঠিক তখনি আবার,

-‘আজব তো! বলছি যাচ্ছেন কোথায়? আর আপনার দেখি কোনো রেসপন্সই নেই।’
পেছনে তাকিয়ে দেখি মলিনী।

= ওহ! আপনি!(অনেকটা অবাক হয়ে), কেমন আছেন? আসলে কোথাও না। বাট… আপনি? আপনি এখানে??’

-এই শুনুন! কোথাও না মানে? জানেন আপনি কোথায় আছেন জানেন? আর আপনি জিজ্ঞেস করছেন আমি এখানে কেন? ভারি আজব তো!’

একটু করে ডানে-বায়ে তাকিয়ে আমার ঘুম কেটে যায়। দেখলাম দাঁড়িয়ে আছি মলিনীদের বাসার সামনের গলিতে। সাথে সাথে আপনাআপনি চোখ চলে যায় ঘড়ির দিকে, দেখলাম রাত ২:৪৫। কিচ্ছু বুঝে ওঠার আগেই বলে ওঠি,

= আমি তো যাচ্ছিলাম ইমুদের বাসায়। এখানে কি করে? আর বাসা থেকে বেরিয়েছিলাম ১১ টার দিকে। এখন তো অনেক রাত!

তারপর মলিনী বললো,

-‘আগে বাসায় চলুন, তারপর সব শুনবো।’

= আপনাদের বাসায়?

-‘আপনার শশুর কি এখানে বাসা রেখে গেছেন? যে ওখানে যাবেন? চলুন তো।’

কোনো কথা না বলেই হাটা দিলাম মলিনীদের বাসার দিকে। হাটতে হাটতে ভাবছি,

=কিভাবে এখানে এলাম? কেনইবা এলাম? আর মলিনীদের বাসার দিকেই বা কেন এলাম? আর.. আর ও..ই’বা আমায় পেলো কিভাবে?

উত্তম গুলো পাওয়ার আগেই গেটের সামনে দুজন।

-‘কাকু গেইট লাগিয়ে শুয়ে পরো, রাত অনেক হয়েছে।’

আমাকে নিয়ে গেলো ওদের গেস্ট রোমে, আর বললো,

-‘রাতে খাবার খেয়ে ছিলেন? নাকি এটাও মনে নেই?’

চুপ করে থাকার মানেটা সে বুঝে যায়, নিজে নিজে কি যেন বলতে বলতে ফ্রিজ থেকে খাবার নিয়ে আসে। আমার হাতে দিয়ে বলে,

-‘খেতে পারবেন তো? নাকি খায়িয়ে দিতে হবে?’

= তা অবশ্য লাগবে না, নিজেই পারবো!

খাটের কোনোয় বসে বসে সে আমার খাবার খাওয়া দেখলো। খাওয়া শেষ হতে না হতেই বললো,

-‘রাত অনেক হয়েছে, ঘুমিয়ে যান। সকালে কথা হবে।’

আমি ‘মলি…’ বলার সাথে সাথে মলিনী বলে ওঠে,

-‘হইছে তো, ঘুমান এবার!’

অনেক দিন সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা হয়না, তবে আজ সকালবেলায় দরজায় কড়া নেড়ে, জানালা থেকে পরদা সরিয়ে দিতে দিতে বলে,

-‘ওয়ে মিস্টার, শুভ সকাল। এই নিন আপনার চা।’

= আচ্ছা! আপনি এসব কেন করছেন?

-‘ওমা! আমি আবার কি করলাম? এবার বলুন তো, রাতে যাচ্ছিলেন কোথায়?’

=আসলে, আসলে আমি তো ইমুদের বাসায় ই যাচ্ছিলাম। টিউশন শেষে বাসায় যাচ্ছিলাম। ইমু কল দিয়ে বললো, আজ আমাদের বাসায় চলে আয়, তারপর নিজের বাসায় না গিয়ে হাটা দিলাম উল্টো পথে। চোখে ঘুমঘুম ভাব ছিলো, তাই সামনের একটা টং থেকে এক কাপ চা খেয়ে নিয়ে আবার হাটা দিলাম। কিন্তু! আমি? এখানে এলাম কি করে?

-‘আমারও তো একই প্রশ্ন! তাও এতো রাতে? আচ্ছা আপনার চা’য়ে কিছু ছিলো না তো?’

=আসলেই তো! বিষয়টা তো ভেবে দেখিনি। হতে পারে। যাই হোক, আপনার সাথে তো দেখা হয়ে গেলো।

-‘হুম। তারপর কেমন আছেন আপনি?’

=এইতো চলছে, আপনি?

-‘চলছে আর বইকি! আচ্ছা আপনি কি কাউকে পছন্দ করেন? মাঝেমধ্যেই দেখি আপনি আনমনা হয়ে থাকেন। কি যেন ভাবতে থাকেন। কে সে?’

=আরে যাচ্ছে তা বলেই যাচ্ছেন, আনমনা থাকলেই কি কাউকে পছন্দ করতে হয় নাকি? তবে হ্যা, আয়নার সামনে গেলেই একটা খুব পরিচিত চেহারা ভেসে ওঠে আমার সামনে।

একটু হিংসে ভাব নিয়ে মলিনী জিজ্ঞেস করে,

-‘খুব সুন্দরী বুঝি? আমার থেকেও সুন্দরী? তাই নাহ্?’

=হ্যা, অনেক সুন্দরী। ডানাকাটা পরীর মতো। তার চোখ দুটো হরিণীর মতো কাজল কালো। চুল গুলো যেন হাওয়ার স্পর্শ পেলেই ভেসে বেড়ায় মেঘের ভাজে। তাকে দেখলেই হৃদয় কেপে ওঠে আমার।

-‘আচ্ছা! আমার সাথে দেখা করাবেন তাকে? এক পলক দেখতে চাই।’

= নাহ্, তবে হ্যা।

-‘তাহলে আর দেড়ি করে কি লাভ? এখনি ফোন করুন, আমাদের বাসায় চলে আসুক। একসাথে বসে আড্ডা দিতে দিতে পরিচিত হয়ে যাবো।’

মলিনীর মুখে ফোন এর কথা শুনে মনে পড়লো আমার মোবাইল এর কথা। পকেট এ হাত দিয়ে দেখি মোবাইল নেই।

=আরে কাজ তো একটা হয়েছে রাতের বেলায়। আমার মোবাইল নেই, পকেটমার নিয়ে গেছে। তাইতো বলি, আমি কেন অযথা এ পথে আসতে যাবো।

-‘হুম, বুঝলাম। এখন তার সাথে তো আর দেখা করাবেন না। এবার তাহলে বলুন, সে আসলে দেখতে কেমন?’

=বলবো? আচ্ছা বলি, তাকে তো আমি সব সময় আয়নাতে দেখি। দেখতে খুব সুন্দরী, তার হাসিতে একটা অসম্ভব মায়া আছে। সে যখন হাসে, আমার জীবন যেন থমকে দাঁড়ায়। মনে হয় সারাজীবন ধরে তার হাসি মাখা এই মুখটা দেখি। তবে সে চলে যায়, ধূলি মাখা আলো হয়ে।

-‘ভালোবাসেন সেই আয়নার মেয়েটাকে?’

=হুম, অনেক ভালোবাসি। অনেক অনেক ভালোবাসি।

ভালোবাসার কথা শুনে মলিনী কিছুটা লজ্জা পায়। মুচকি একটা হাসি দিয়ে চলে যায় রোম থেকে।

মলিনী এতোক্ষনে বুঝে গেছে আমি তার কথাই বলছিলাম।

ওদিক থেকে মলিনী মনে মনে বলে ওঠে,

-‘স্বপ্ন আমিও তোমায় বড্ড ভালোবাসি’।

[ বিঃদ্রঃ গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক আঙ্গিকে লিখা। একজন পথযাত্রীর ছিনতাইকারী দলের শিকার হয়ে নির্বোধ হয়ে ঘুরতে থাকে।। পেছন থেকে প্রিয়তমার আগমন। যা সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে]

স্বপ্ন। (08-11-2k19)

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন

tv 21

  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।