1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  8. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  9. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  10. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
থাইল্যান্ড - বান নক্কামিন ইনিশিয়েটিভ, থাইল্যান্ডে গৃহহীন শিশুদের জন্য গৃহ » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
গঙ্গামন্ডল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এইচএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ জসিম উদ্দিনের গণসংযোগ বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বনকোট ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল দেবিদ্বারে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে খোরশেদ আলম চেয়ারম্যান’র নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ও মধ্যাহ্ন ভোজ বাড়ি ফেরা হলো না চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ইউসুফের বাংলাদেশে কোভিডে বাড়ছে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা চীনা PLAAF তাইওয়ান স্ট্রেইট দিয়ে যাওয়া জাহাজের সমালোচনা করার সময় তাইওয়ানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে দেবিদ্বারে শাপলাকাব এ্যাওয়ার্ড অর্জনকারীদের সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ প্রদান বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে টিকা নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড় কম্বোডিয়ান ছাত্রের উড়ন্ত গাড়ি তৈরির গল্প

আজ

  • আজ রবিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ ইং
  • ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
  • ২২শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী
  • এখন সময়, সকাল ৮:৫৮

থাইল্যান্ড – বান নক্কামিন ইনিশিয়েটিভ, থাইল্যান্ডে গৃহহীন শিশুদের জন্য গৃহ

  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: গৃহহারা ও পারিবারিক বিচ্ছেদের কারণে আশ্রয়হীন শিশুদের আপন করে নিতে যাচ্ছে থাইল্যান্ডের সুকোথাই প্রদেশের ব্যান নক্কামিন হাউস। দেশটির উত্তরাঞ্চলের থাং সালিয়াম জেলার এ হাউসটি শিশু ক্ষমতায়ন, তাদের সঠিক যত্ন, কাউন্সিলিং এবং পরবর্তীতে তাদের ভবিষ্যত নির্মাণে মনোযোগ দিবে, যেন এতিমখানা বা কোন সামাজিক কেয়ার সেন্টারে না থেকে তারা হাউসটির সদস্য হতে পারে।

তানাওয়াত নকনাক নামের এক ব্যান নক্কামিন হাউসের সদস্য বলেছে; ”আমার বাবা- মা দু’জনই মারা গেছেন। দাদীর সাথে আমি থাকতে পারতাম কিন্তু তিনিও গত হয়েছেন আর দাদা মদ্যপ অবস্থায় আমাকে মেরেছেন। তখন আমি পালিয়ে একটা জঙ্গলে থাকতে শুরু করি। এখন এখানে ভালো আছি।”

আরেক সদস্য পানুকর্ন উত-ইন বলেন, ”আমার জন্মেও পরই আমার বাবা-মা আলাদা হয়ে যায়, তারপর থেকে আমি দাদীর সাথেই থাকছিলাম। এক অপরিচিত লোক আমাকে এখানে এসে থাকতে বলে। ব্যান নক্কামিনে কোন কিছুর অভাব বোধ করলে
তারা আমাদের তা দেন, আমরা কিছু চাইলে তা পূরণ করেন আর আমাদের সমস্যার কথাও মন খুলে বলতে পারি।”

৪ বছর ধরে হাউসটির সদস্য আরথিত জাজো বলেন, ”আমার পরিবার কঠিন সময় পার করছিলো। আমার বাবা- মা প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় বদলি হতো। তারা এক জায়গায় বেশিদিন থাকতো না। গত ৪ বছর ধরে আমি এখানে আছি।” বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য প্রতিটি ঘরে আছে ফাদার ও মাদার। এমন হাউস মাদারদের একজন সামাই জারাত জানান, ”ছোট বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণ করা সহজ কিন্তু কিশোরদের নিজস্বতা থাকে, ফলে তাদের সাথে মানিয়ে নেয়া সময়সাপেক্ষ। তাই এটা সহজ মনে হলেও আসলে তা নয় তবে আমি বলব আমদের একটা বন্ধন আছে।”

অপরদিকে প্রাজাক পাশা, যিনি একজন হাউস ফাদার, বলেন, ”আমি মনে করি না এতে কোন সমস্যা আছে, যখন দেখি বাচ্চাগুলো ভালোবাসা পেতে উম্মূখ এবং আমরা পাস্পরিক বোঝাপড়া,যত্ন ও তাদের সমর্থনের মাধ্যমে সেটা দেই।
সমস্যাটা হচ্ছে কিভাবে আরো বেশি করে তাদের সাহায্য করা যায়।”

হাউসটি প্রতিষ্ঠার ভাবনা এসেছে সুইস মিশনারির আরউইন গ্রোবলি থেকে, যিনি ব্যাংককের রামখাহায়েং এ আশ্রয়হীন শিশুদের উপেক্ষা করতে পারেননি। পরে তিনি ১৯৮৯ সালে তাদের জন্য একটি রুম ভাড়া নিয়ে সবাইকে একই পরিবারের মত সেখানে থাকার আমন্ত্রণ জানান, যা ছিলো অনেকটাই ব্যান নক্কামিন হাউসের মত।

প্রতিষ্ঠানটির শিশু কল্যাণ কর্মকর্তা উইরোজ তিয়াবথং এর কথায় উঠে এসেছে তাদের উদ্দেশ্য, ”ব্যান নক্কামিন এমন একটি প্রতিষ্ঠান যাদের লক্ষ্য হচ্ছে পারিবারহারা শিশুদের নিয়ে নতুন পরিবার গড়া। একটি শিশুকে নেয়ার আগে আমাদেরকে তার মানসিক স্বাস্থ্য ও আইকিউ পরীক্ষা করতে হয়, যেন আমরা সঠিকভাবে তার যত্ন নিতে পারি।

এখন আমরা ব্যাংকক, সুকোথাই, চিয়াং মাই, চিয়াং এবং রাইসহ বিভিন্ন প্রদেশে শিশুদের যত্ন নিচ্ছি।” পড়াশোনার পাশাপাশি বাচ্চাদের ঘরের কাজ, বাগান পরিষ্কার করা ইত্যাদিও শেখায় এই থাই হাউস। অবসর সময়ে একসাথে খেলাধুলা করে ও গান গেয়ে সময় কাটায় তারা। আপন পরিবারবিহীন শিশুগুলো সব ভুলে নিজেদের মধ্যে গড়ে নিয়েছে আরেক পরিবার।

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন
  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।