1. abdulla914559@gmail.com : Abdullah Al Mamun : Abdullah Al Mamun
  2. info@vorerjanala.com : admin : মেহেদী হাসান রিয়াদ
  3. parvessarker122@gmail.com : Md Parves : Md Parves
  4. anarul.roby@gmail.com : সহকারী ডেস্ক :
  5. i.am.saiful600@gmail.com : Saiful Islam : Saiful Islam
  6. sailorinfotech@gmail.com : N H Nahid : N H Nahid
  7. nu356548@gmail.com : Nasiruddin Liton : Nasiruddin Liton
  8. billaldebidwar@gmail.com : MD Billal Hossain : MD Billal Hossain
  9. rustom.ali.ml@gmail.com : Rustom Ali : Rustom Ali
  10. cricket.sajib@gmail.com : Md. Sazib Mandal : Md. Sazib Mandal
  11. journalistsojibakbor01713@gmail.com : Sojib Akbor : Sojib Akbor
  12. subrotostudio35@gmail.com : Subroto Sorkar : Subroto Sorkar
রাবিতে ১৪শ কেজির ভাস্কর্যে ৯০৮ কেজি তামাই গায়েব! প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্থা : রাবি উপাচার্য » ভোরের জানালা ডট কম
সর্বশেষ
জামালপুর জেলা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন চবির নতুন নেতৃত্বে শাহরিয়ার-শিশির লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এল.এস.পি) কুমিল্লা জেলা শাখার সম্মেলন সন্দেহজনক ভাবে আটককৃত হৃদয়(বান্টি) নিরপরাধ | রাজনৈতিক কোন দলের সংশ্লিষ্টতা নেই গ্রিন ডেভেলপমেন্ট ও জ্বালানি সাশ্রয়ী আইসিটি অবকাঠামো তৈরিতে হুয়াওয়ের নতুন সল্যুশন সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক – সাংসদ এনামুল হক যুদ্ধে নামছে দেশবাংলা কক্সবাজারে ’দৈনিক দেশবাংলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত বাগমারার ঝিকরা তে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত রিয়াদের হারা জমজম ইশারায় তাসবি মিট কোম্পানি’র দ্বিতীয় শাখার শুভ উদ্ভোদন বাজারে না আসতেই পাঠক সমাজে ঝড় তুলেছে দেশবাংলা

আজ

  • আজ বুধবার, ১০ই আগস্ট, ২০২২ ইং
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
  • ১১ই মুহররম, ১৪৪৪ হিজরী
  • এখন সময়, রাত ৯:০৯

রাবিতে ১৪শ কেজির ভাস্কর্যে ৯০৮ কেজি তামাই গায়েব! প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্থা : রাবি উপাচার্য

  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯

রায়হান রোহানঃ ১৪শ কেজি তামার জন্য বরাদ্দ ১৪ লাখ টাকা। ব্যবহৃত তামার পরিমাণ মাত্র ৪৯২ কেজি। বঙ্গবন্ধুসহ তিন বুদ্ধিজীবীর একটি স্মৃতিফলক। তাতেই লুটপাটের মহাযজ্ঞ। স্মৃতিফলক নয়, যেন দুর্নীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে এটি তৈরি করা হয়েছে। স্মৃতিফলকে ১৪শ কেজি তামা ব্যবহারের কথা থাকলেও তাতে মাত্র ৪৯২ কেজি তামা ব্যবহার করা হয়েছে!

বরাদ্দকৃত মূল্যে প্রতি কেজি তামা এক হাজার টাকা হারে শুধু ভাস্কর্য তৈরিতেই দুর্নীতি হয়েছে ৯ লাখ আট হাজার টাকা। অর্থাৎ ১৪ লাখ টাকার তামা ব্যবহারের কথা থাকলেও ৯ লাখ আট হাজার টাকার তামা ব্যবহারই করা হয়নি। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় ৮৩ লাখ টাকার পুরো হিসাবেই গড়মিল পেয়েছে তদন্ত কমিটি। আর্থিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির একটি প্রতিবেদনে দুর্নীতির এমন চিত্র উঠে এসেছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রশাসন ভবনের পশ্চিম পাশে নিচতলায় এ স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নিহত বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে স্মরণ রাখতে এটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মিজানউদ্দিন ও উপ-উপাচার্য চৌধুরী সারওয়ার জাহান প্রশাসন। ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক এবং তৎকালীন পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক সুলতান-উল-ইসলামকে সমন্বয়ক করে মোট ১১ জনকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কাজে দায়িত্ব দেয়া হয়।২০১৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৪৭০তম সভায় ৮২ লাখ ৬৫ হাজার ১৬১ টাকার অনুমোদন দেয়া হয় প্রকল্পের জন্য। স্মৃতিফলকে তিনজন শহীদ শিক্ষক এবং বঙ্গবন্ধুর রিলিফ ভাস্কর্য নির্মাণে ১৪শ কেজি তামার জন্য ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

কিন্তু তাতে ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র ৪৯২ কেজি তামা!স্মৃতিফলক নির্মাণে আর্থিক অব্যবস্থাপনার প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কাশেমকে আহ্বায়ক করে ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির এক চিঠির জবাবে স্মৃতিফলকের শৈল্পিক পরামর্শক কমিটির আহ্বায়ক চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগের অধ্যাপক ঋতেন্দ্র কুমার শর্মা জানান, ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য প্রথমে ৮৫০ কেজি তামা ক্রয় করা হয়। এর মধ্যে শতকরা ২৫ ভাগ ওয়েস্টেজ (নষ্ট) দেখিয়ে ৬৩৮ কেজি তামা ব্যবহার করা হয়। এরপর কাস্টিংয়ের সময় ‘দুর্ঘটনাজনিত’ কারণে ফের ১২০ কেজি তামা নষ্ট হয়।

সবশেষ আরও ২৬ কেজি তামা অন্যভাবে নষ্ট হয়। এতে মোট ৯০৮ কেজি তামাই বাদ পড়ে ভাস্কর্য নির্মাণে, যার আর্থিক মূল্য ৯ লাখ আট হাজার টাকা।

স্মৃতিফলকে শৈল্পিক কাজের টেম্পার্ড গ্লাসের জন্য তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও তা ব্যবহারের কোনো তথ্য পায়নি তদন্ত কমিটি। পুরো প্রকল্পের জন্য লেনদেন প্রক্রিয়ায় ‘মারাত্মক অসঙ্গতি’ আছে বলে তদন্ত কমিটি উল্লেখ করেছে। দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নির্মাণ প্রকল্পের সমন্বয়ক সুলতান-উল-ইসলামের কাছে আর্থিক অব্যবস্থাপনার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটি হয়তো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছে। আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বরং সমন্বয়হীনতার মধ্য দিয়ে কাজটি চলছিল, আমাকে তখন দায়িত্ব দেয়া হয়। তামা ক্রয়ের বিষয়ে আমিও প্রশ্ন তুলেছি।’তথ্যসূত্রঃযুগোনিউজ

তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটি ইচ্ছামতো কাজ করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে আসলে অভিযোগটি কী- সেটাই স্পষ্ট করে জানতে চাওয়া হয়নি। প্রকল্পটি কমিটি ও উপ-কমিটির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে এখানে জবাব দেয়ার সুযোগ নেই।’

বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সোবহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নির্মাণের অসঙ্গতি খুঁজে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দেয়া প্রতিবেদনের আলোকে আমরা ব্যবস্থা নেব। এর চেয়ে বেশিকিছু বলা এখন ঠিক হবে না।

সবার সাথে শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ পড়ুন

tv 21

  • এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার ‘ভোরের জানালা ডট কম’ কর্তৃক সংরক্ষিত।
সাইট ডিজাইন এন্ড ডেভেলপ মেহেদী হাসান রিয়াদ - 01760-955268
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।